• শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮

ঢাকায় পদ্মার নাচন, কুশানপালা, ঘেটুগান

 ঢাকায় পদ্মার নাচন, কুশানপালা, ঘেটুগান

দেশের সব জেলার ঐতিহ্যবাহী নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিবেশনা নিয়ে ঢাকায় এসেছেন ৬৪ জেলার শিল্পীরা। দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয়ের পাশাপাশি এসব উপভোগের বিশাল এক উৎসব আয়োজন করেছে শিল্পকলা একাডেমি। পাঁচ হাজারের অধিক শিল্পী ও শতাধিক সংগঠনের অংশগ্রহণে ২১ দিনব্যাপী উৎসবের তৃতীয় দিন ছিল রোববার।

বিকেলে একাডেমির নন্দন মঞ্চে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতেই জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। এরপর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ঢাকার পরিবেশনায় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী। পরে কারিশমা আবৃত্তি সংগঠনের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিল্পী সুপ্ত, হিসাম, সাফিন, সাফান, জাবের ও লিথি পরিবেশন করেন বৃন্দ আবৃত্তি। ফারহানা চৌধুরীর পরিচালনায় বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস পরিবেশন করে দুটি সমবেত নৃত্য। ছিল শিল্পী আশরাফুল আলমের পরিবেশনায় একক আবৃত্তি। বহ্নিশিখার শিল্পীরা ‘সোনা সোনা সোনা’ এবং ‘বাংলার হিন্দু বাংলার বৌদ্ধ’ গান দুটি সমবেতভাবে পরিবেশন করে।

‘মেহেরপুর আমাদের মেহেরপুর’ সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন মেহেরপুরের শিল্পী সুলতানা, রোকসানা, রাসেল, আমজাদ হোসেন, আসাদুল ইসলাম, মিনারুল ইসলাম ও জিনারুল ইসলাম। ‘ও আমার দেশের মাটি’ গানের কথায় সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন অনামিকা, প্রিয়া, অণুভা, প্রজ্ঞা, আরিফা, মায়াবী, বনান্তী, হৃদিতা ও ফারিয়া। বাঁশিতে সুর তোলেন মো. আশিকুর রহমান। ‘সোনা সোনা সোনা’ গানটি শোনান তানিম মাহমুদ।

কুড়িগ্রাম জেলার পরিবেশনায় ছিল জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের ওপর ভিডিও পরিবেশনা। ছিল ‘শোনো একটি মুজিবরের থেকে’ এবং ‘ও সোনাবন্ধু ধন’ গানের সমবেত পরিবেশনা। ‘বিজয় নিশান উড়ছে ওই’ ও ‘তোমরা নাচো সুন্দরী কইন্যা’ গানের সঙ্গে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করেন এ অঞ্চলের শিল্পীরা। একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী সাজু ও মুনতাহিনা মামুন।

New Link

headadmin

Leave a Reply

Your email address will not be published.